মজার রুপকথার গল্প জাদুর ছাতা

0
29
মজার রুপকথার গল্প জাদুর ছাতা
জাদুর ছাতা

রুপকথার গল্প পড়া অনেম মজার । মজার রুপ কথার গল্প পড়েনি এমন মানুষ পাওয়া যাবে খুবই কম। আজকে আপনাদের জন্য আবার একটি মজার রুপকথার গল্প নিয়ে এসেছি। মজার রুপকথার গল্প টির নাম জাদুর ছাতা ।

আসসালামু আলাইকুম বন্ধুরা। বন্ধুরা আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভালই আছেন। আজকে আমি আপনাদের একটি রুপকথার গল্প বলবো। রুপকথার মজার গল্পটির নাম দিয়েছি জাদুর ছাতা। আজকের রুপকথার মজার গল্প টি পড়তে বেশ ভাল লাগবে আপনাদের। চলুন কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক আজকের রুপকথার গল্প জাদুর ছাতা –

রুপকথার মজার গল্প জাদুর ছাতা

রাজু নামের এক ছেলে তার বাবা মার সাথে জয়দেবপুর গ্রামে বসবাস করতো। তার বাবা ছিল দিন মজুর। জমিদারের কাছ থেকে যে পারিশ্রমিক পেত তা দিয়ে কোন রকমে তার সংসার চলত। এই অবস্থায় যদি অন্য কোন খরছ করতে হত তাহলে তাদের মনে হত যেন তাদের মাথায় পাহাড় ভেঙ্গে পড়েছে।

প্রতি বছরের মত এই বছরেও বৃষ্টি শূরু হয়ে গিয়েছিল। রাজু ছাতা ছাড়া কোন রকমে স্কুলে পৌছিলো। কিন্তু তার দেরি হয়ে গিয়েছিল। তাকে দেখা মাত্র শিক্ষক বলেন,  এই যে রাজু তুমি ঐ খানেই দাড়াও। তোমাকে কত বার বলেছি এভাবে বৃষ্টিতে ভিজে আসবে না। সাথে ছাতা রাখবে তুমি। রাজু আমতা আমতা করতে লাগলো। তার এক সহপাঠি হেসে বললো, স্যার ছাতা থাকলে তো ও নিয়ে আসবে। প্রত্যেক বছর ও বলে, পরের বার ছাতা নিয়ে আসবো কিন্তু ও ছাতা আনে না। কিপ্টে কোথাকার হাহাহা।

শিক্ষক রাজুকে বলে, আচ্ছা তুমি ছাতা কেন আনো না? রাজু আমতা আমতা করে বলে,আমার কাছে ছাতা নেই। তখন তার সহপাঠি বলে ,তোমার বাবাকে বলো যেন বাজার থেকে ছাতা কিনে তোমার জন্য। এই দেখো এই ছাতাটা আমার বাবা আমাকে বাজার থেকে কিনে দিয়েছে।

শিক্ষক বলে, তোমাকে এই ভেজা অবস্থায় আমি ক্লাসে আস্তে দিতে পারি না। তুমি আসলে পুরো ক্লাস নোংরা হয়ে যাবে । এর থেকে ভালো তুমি বাড়ি ফিরে যাও, কালকে আসবে নয়তো ওখানেই দাড়িয়ে ক্লাস করো আমি যা পড়াচ্ছি। রাজু নিরুপায় হয়ে দরজায় গিয়ে বা জানালায় গিয়ে তার স্যার এর কথা শুনতে লাগলো। এভাবে রাজু জানালায় দরজায় দাড়িয়ে সারাদিন ক্লাস করলো।

মজার রুপকথার গল্প । রাজুর ভাবনা

পরের দিন রাজু ভাবলো বৃষ্টি শুরু হওয়ার আগেই সে স্কুল এ যাবে। তাই সে সকাল সকাল স্কুলে যাবার জন্য রওনা দিলো। কিন্তু যখনি সে রওনা দিলো ঠিক তখনি বৃষ্টি শুরু হলো। সে বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল তখন তার বাবা সেখানে আসলো। রাজু তার বাবাকে বললো, বাবা আমাকে ছাতা কিনে দাও না? তার বাবা তাকে বললো, অবশ্যই কিনে দেবো বাবা। সবচেয়ে সুন্দর ছাতাটা আমি তোমার জন্য আনবো। রাজুর মা বললো, তুমি প্রত্যেক বারেই এই কথা বলো। তার পর আমার ছেলে বৃষ্টিতে ভিজে স্কুলে যায়। কিন্তু তার পরের বারেও এই কই কথা বলো তুমি।

তখন রাজুর বাবা বলে, কি করবো বলো? সারা বছর এ তো কাজ করি এতে যে পারিশ্রমিক পাই তা দিয়ে কোন মত দু বেলা খাবার জোটে । এর বাইরে কিছু কিনতে গেলে আমার কোন ক্ষমতা থাকে না। আমাকে ক্ষমা করিস রাজু বাবা। আমি তোর জন্য একটা ছাতা পর্যন্ত কিনে আনতে পারছি না।

রাজু তার বাবাকে বললো,কষ্ট পেয়ো না বাবা আমি স্কুলে যেতে পারবো। রাজুর মা বলে, কিন্তু কিভাবে এই বৃষ্টির  মধ্যে স্কুলে যাবি? বাইরে খুব বৃষ্টি হচ্ছে তো। রাজু বলে, আমি গাছের তলা দিয়ে নিজেকে বৃষ্টি থেকে বাঁচিয়ে ঠিক স্কুলে পৌছে যাব। এই বলে তার বাবা মাকে বিদায় জানিয়ে স্কুলের উদ্দেশ্যে রওনা দিলো। রাজু কোন রকমে ভিজতে ভিজতে একটা গাছের তলায় গিয়ে দাড়ালো।

কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলো কিন্তু বৃষ্টি থামার নামই নেই। সে কিছুক্ষণ আকাশের দিকে তাকিয়ে রইলো। দেখলো আকাশ কালো মেঘে ঢাকা। সে নিজে নিজে বললো, ওহ আকাশে তো খুব মেঘ করেছে। মনে হচ্ছে আজকে স্কুলে যেতে অনেক দেরি হয়ে যাবে। যদি আরো কিছুক্ষণ আরকম বৃষ্টি হতে থাকে তাহলো কোমর পর্যন্ত ডুবে যাবো আমি। যদি আমার স্কুলের পোষাক ভিজে যায় তাহলে শিক্ষক আমাকে ক্লাসে ঢুকতে দিবে না। সে ভাবতে লাগলো, কি করি? কি করি? রাজু গাছে উঠেছে অনেকক্ষণ আগে কেননা নিচে পানি অনেক জমেছে।

রুপকথার গল্প । রাজুর সাথে সন্যাসির দেখা

গাছে থাকা অবস্থায় তার খিদেও পেয়ে গেছে খুব। খিদের চোটে সে পেটে হাত দিয়ে ভাবতে থাকলো কখন যে বৃষ্টি থামবে। এই ভেবে তার স্কুল ব্যাগ থেকে টিফিন টা বের করলো। বের করে দেখলো তার টিফিনে তার মা তাকে রুটি আর পেয়াজ দিয়েছে। সে খেতে আরম্ভ করবে এই সময়ে গাছের নিছে ছপ ছপ আওয়াজ শুনে নিচে তাকালো।

দেখলো এক সাধু বাবাও ঐ গাছের নিচে আশ্রয় নিয়েছে। রাজু সাধুবাবাকে দেখলো আর তার পর খিদের জ্বালা মেটাতে রুটি আর পেয়াজ মুখে দিলো। সাধু বাবা তাকে খেতে দেখলো। রাজু আবার খাবারের টুকরো নিয়ে যেই না মুখে দিল সে লক্ষ্য করলো সাধু বাবা তাকে দেখছে। সে তৃতীয় বার যখন আবার খাবার মুখে দিলো সে দেখলো সাধু বাবা তার দিকে তাকিয়ে আছে।

সাধু বাবা রাজুর দিকে তাকিয়ে আছে দেখে  রাজু সাধু বাবা কে জিজ্ঞেস করলো, বাবা আপনি কি খাবেন ? সাধু বাবা বললো, সাধু বাবাকে কিছু খাওয়ালে তোমার কল্যাণ হবে পুত্র। আজকে সারা দিন বৃষ্টির কারনে কোন ভিক্ষা জোটাতে পারিনি। রাজু বললো, অল্প কেন খাওয়াবো । আপনি দুটো রুটি খাবেন।

কিন্তু সমস্যা হলো আমার রুটির সাথে কোন সবজি নেই শুধু পেয়াজ আছে বাবা। তাই দিয়েই আপনাকে খেতে হবে। সাধু বাবা বলে, যখন খুব খিদে পায় তখন যেকোন খাবার কেই অমৃত মনে হয় পুত্র। এই কথা শেষ হলে রাজু সাধু বাবাকে দুই টা রুটি আর পেয়াজ দেয়।

সাধু বাবা তাকে জিজ্ঞেস করলো, তুমি এই গাছের ডালে কেন উঠে আছো পুত্র? রাজু সাধু বাবাকে বললো, স্কুলে যাচ্ছিলাম বাবা। কিন্তু তখন ই জোরে বৃষ্টি শুরু হলো। বৃষ্টি থেকে বাচার জন্য এই ডালে উঠে আছি। সাধু বাবা বললো, ছাতা নেই তোমার কাছে? রাজু বললো, না বাবা আমি বাবাকে বলেছিলাম ছাতা কিনে দিতে। বাবা আমাকে বলে যে কিনে দেবেন। কিন্তু অভাবের কারণে আমার ছাতা কেনা হয়না বাবা।

রাজুর ছাতা পাওয়া । মজার গল্প

সাধু বাবা এই কথা শুনে তাকে একটা ছাতা দিয়ে বললো এই নাও বাবা আমার কাছে একটা ছাতা আছে। এটা দেখে রাজু বললো, একি বাবা ছাতা থাকতে যে আপনি বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে যাচ্ছেন কেন? সাধু বাবা বলেন, আমাদের সাধুদের ছাতার কি প্রয়োজন? আমরা সাধুরা ছাতা নিয়ে কি করবো? গ্রিস্ম বর্ষা শীত যাই আসুক না কেন আমরা তো প্রকৃতিকে উপভোগ করি। এই বলে সাধু বাবা খেতে লাগলো। খাওয়া শেষে বললো , বাহ মনটা একে বারে তৃপ্ত হয়ে গেলো পুত্র। যাও ভালো থেকো।

এই বলে সাধু বাবা সেখান থেকে চলে গেলো। তার যাওয়ার পর রাজু গাছ থেকে নামলো। আর ছাতা খুলে স্কুলে গেলো। স্কুলের সবাই অবাক হয়ে গেলো এত সুন্দর ছাতা নিয়ে আসতে দেখে। শিক্ষক তাকে বললো, আরে তুমি ছাতা থাকা সত্ত্বেও এত দেরি করে কেন এলে? এখন তো স্কুল শেষ হওয়ার পথে। রাজু বললো ক্লকে থেকে আর দেরি হবে না স্যার। এখন তো একটা ছাতা পেয়ে গেছি। ক্লাসের একজন বলে উঠলো, নিশ্চয়ই রাজুর ছাতা টা রাজু চুরি করেছে। শিক্ষক ঐ ছাত্র কে ধমক দিলেন।

সবাই বাইরে আসার পর দেখলো বাইরে খুব জোরে বাতাস বইছে। ঠিক তার পরেই হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হয়ে গেলো। বৃষ্টি আসার পর সবাই সবার ছাতা খুললো। দুই তিন জনের কাছে ছাতা ছিল না। এই দেখে ক্লাসের একজন ফাজিল ছেলে নাম রতন নিজের ছাতা খুলে তাদের দেখে হাসতে লাগলো।

এই দেখে রাজুর ছাতা খুললো আর বললো, চলে এসো  তোমরা তিনজন চলে এসো আমার ছাতার নিচে। তিনজনের একজন বলে উঠলো  আরে আমরা যদি তিন জনে তোমার ছাতার নিচে যাই তাহলে এত ছোট ছাতায় আটবে কি করে? রাজু বললো, পুরোটা ভেজের চেয়ে এটা তো ভাল একটু কম ভিজা। তিন জনই ছাতার নিচে আসলো।

জাদুর ছাতার কারসাজি । রুপকথার গল্প মজার

রাজু তখন বললো, দেখলে আমরা কেউই ভিজতেছি না। একজন বলল হ্যা ভাই রাজুর ছাতা টা দেখছি অনেক বড়। জোরে বাতাসের কারনে রতনের ছাতা উড়ে গেলো। যাকে দেখে রতন হেসেছিলো সে বললো, ওদের ছাতা গুলো দেখছি কাকের মত উড়ে গেলো। রাজু রতনকে ডাকলো, রতন এদিকে আসো নাহলে তুমি ভিজে যাবে। এই কথা শুনে বাকি সবাই রাজুর ছাতার নিচে আসার জন্য বলতে থাকলো আমি আসবো, আমি আসবো।

এত ক্ষণে সবার ছাতা উড়ে গেছে। রতন বলে উঠলো, রাজু আমাকে ডেকেছে তোমাদের না। রতন তার বন্ধুদের ধাক্কা দিয়ে রাজুর ছাতার নিচে চলে আসলো। যেই না রতন ছাতার নিচে ঢুকলো ছাতাটা আরো একটু বড় হয়র গেলো। আর তখন বাকি বন্ধুরাও এসে ছাতার নিচে ঢুকে পড়লো। আর ছাতা আগের থেকে আরো বড় হয়ে গেলো। কেউই বৃষ্টিতে আর ভিজতেছে না। যেহেতু স্কুল শেষ তাই তারা গ্রামের দিকে রওনা দিলো।

পথে যেতে যেতে আরো দু একজন করে ছাতার নিচে আস্তে থাকলো আর ছাতাও আস্তে আস্তে বড় হতে থাকলো। রাজুর ছাতা বড় হতে হতে এত বড় হলো যে রাজুকে মনে হলো যে রাজু রাজু নয় যেন কৃষ্ণ ভগবান। যিনি গোবর ধন পর্বত তুলে তাদের সাথে হাটছেন।

এই ঘটনার পর জমিদার রাজুদের বাসায় আসে। রাজুর বাবা তাকে দেখে বললেন, জমিদার  বাবু আপনি এখানে? আমাকে ডেকে পাঠাতেন আমি যেতাম। আপনি কষ্ট করে কেন এসেছেন? কোন কাজ আছে নাকি জমিদার বাবু? জমিদার তখন বললেন, আমি শুনলাম তোমার ছেলের কাছে নাকি এমন জাদুর ছাতা আছে যে  পুরো গ্রাম বাসী তা মাথায় দিয়ে বৃষ্টির হাত থেকে বেঁচেছে? রাজুর বাবা বললেন, নাতো। ছাতাটা জমিদারের হাতে দিয়ে বললো এইযে দেখুন এটা তো ছোট্ট একটা ছাতা। আর এটা একজন কেই বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাতে পারে।  জমিদার বললেন, এটা কি করে হতে পারে আমি তাও নিজের চোখে এটা দেখেছি।

জাদুর ছাতা দিয়ে গ্রাম রক্ষা । রুপকথার মজার গল্প

এই সময় আবার বৃষ্টি আসলো। জমিদার জাদুর ছাতা মেলালেন। তখন গ্রামের কিছু লোক এসে বললো আরে জমিদার বাবাউ আমাদের বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচান। এই বলে তারা জাদুর ছাতার নিচে ঢুকে পোড়লো। আর ঠিক তখনি ছাতা বড় হয়ে গেলো। এটা দেখে রাজুর বাবা অবাক হয়ে গেলো। জমিদার বললো দেখেছো আমি বলেছিলাম না এই ছাতা সারা গ্রামের মানুষ কে বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচিয়ে ছিল।

জমিদার রাজুকে বললো, বাবা রাজু তুমি এই জাদুর ছাতা কোথায় পেয়েছো? রাজু উত্তরে বলে, এক সাধু বাবার সাথে আমার দেখা হয়ে ছিল। সেই সাধু বাবা আমাকে এটা দিয়েছিল। জমিদার বললো, ওহ তাই এতে যাদু শক্তি রয়েছে। এটা দিয়ে তো আমরা সারা বছরের জন্য জল সঞ্চয় করতে পারবো। রাজুর বাবা জমদারকে বলে কিভাবে জমিদার সাহেব? জমিদার বলেন, এই ছাতার নিচে যত মানুষ এসে জরো হবে এই ছাতা তত বড় হবে।

আমরা আমাদের গ্রাম আর নদীর মাঝ খানে রাজুকে দাড় করিয়ে দেবো। তার পর এর এক দিকে জলাশয় পর্যন্ত আর অন্য দিকে নদী পর্যন্ত গ্রামবাসীদের দার করিয়ে দেবো। তাদের বৃষ্টি থেকে বাচানোর জন্য জাদুর ছাতা নদী থেকে জলাশোয় পর্যন্ত বড় হয়ে যাবে আর সব পানি নদী আর জলাশয় এ গিয়ে পড়বে। সারা বছরের জলের সমস্যা এভাবেই মিটে যাবে। আর রাজু ঠিক সেটাই করলো যেটা জমদার বলেছিল। আর সত্যি সত্যি ছাতার মাধ্যমে জম একদিকে জলাশয় আর অন্য দিকে নদীতে গিয়ে পড়লো।

রুপকথার গল্প জাদুর ছাতা

আর এই ঘটনা রোজ বৃষ্টি হলেই ঘটতো। এভাবে শুধু জলাশয় আর নদীতে পানি ভরতো না বরং যে সব জমি বৃষ্টিতে ভিজলে ফসলের সমস্যা হবে সেগুলোকেও বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচানো যেত। এর পর সমস্ত গ্রামবাসী রাজুর প্রশংসা করতে লাগলো। রাজুর বাবা রাজুকে বলে, বাবা কত বছর তুই একটা ছাতার জন্য কষ্ট পেয়েছিস। এখন দেখ তুই এমন জাদুর ছাতা পেয়েছিস যা সুধু তোকেই নয় পুরো গ্রাম বাসীকে রক্ষা করছে। রাজু বললো আমাদের স্কুলে পড়ানো হয়েছিল বাবা যে, সব ভালো যার তার শেষটাও ভালো।

বন্ধুরা কেমন লাগলো রুপকথার মজার গল্প জাদুর ছাতা গল্পটি তা কমেন্ট করে জানাবেন। আর মজার মজার রুপকথার গল্প পড়তে নিয়মিত আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন। ধন্যবাদ